রোজা যেসব কারণে ভঙ্গ ও মাকহরু হয়

0 comments


১. জ্ঞাতসারে পানাহার;
২. কেউ জোরপূর্বক কিছু খাইয়ে দিলে;
৩. নাকে বা কানের ভেতরে ওষুধ দিলে;
৪. কোনো খাদ্য বা বস্তু অসুখের কারণে পেটের ভেতরে দিলে;
৫.মস্তকে কোনো ওষুধের তেজ গেলে;
৬. লোহা, কাঠ, মাটিসহ এমন বস্তু গিলে ফেলা, যা সাধারণত খাওয়া হয় না;
৭. ইচ্ছা করে মুখ ভরে বমি করলে;

রমজান মাসে একটি রাত আছে যা হাজার মাস থেকে উত্তম

0 comments
স্বাগতম মাহে রমজান
রমজান মাসে একটি রাত আছে যা হাজার মাস থেকে উত্তম। তা হলো লাইলাতুল কদর। এ রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের সমান। আর রমজান মাসের একটি নফল ইবাদত অন্য মাসের একটি ফরজের সমতুল্য, একটি ফরজ ইবাদত অন্য মাসের ৭০টি ফরজের সমতুল্য সাওয়াব দান করা হবে। তাই আমাদের এই বরকতময় ও কল্যাণময় মাসকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা জানি সেনাবাহিনীতে কেউ যোগ দিলে প্রথমে তাকে ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ নিতে হয়। আর রমজানের রোজাও মুসলমানদের জন্য ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ স্বরূপ। এ মাসের রোজা রাখার জন্য আমাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেহরী ও ইফতার করতে হয়।

সিয়ামের হিকমত ও তার লক্ষ্য এবং উপকারিতা

0 comments
(১) তাকওয়া বা আল্লাহ-ভীতি

(২) শয়তান ও কু-প্রবৃত্তির ক্ষমতা দুর্বল করা

(৩) সিয়াম আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ ও তার দাসত্ব প্রতিষ্ঠার প্রশিক্ষণ

(৪) ঈমানকে দৃঢ় করা, মোরাকাবা ও আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করা

রমজান মাসে যে সকল নেক আমল করা যায়

0 comments

(১) কিয়ামুল লাইল
(২) আল-কুরআন খতম ও তিলাওয়াত
(৩) সদকা বা দান
(৪) এতেকাফ
(৫) ওমরাহ আদায়

সিয়ামের ফযীলত

0 comments

এক. সিয়াম শুধু আল্লাহর জন্য

দুই. সিয়াম আদায়কারী বিনা হিসাবে প্রতিদান লাভ করে থাকেন

তিন. সিয়াম ঢাল ও কুপ্রবৃত্তি থেকে সুরক্ষা

চার. সিয়াম জাহান্নাম থেকে বাঁচার ঢাল

পাঁচ. সিয়াম হল জান্নাত লাভের পথ

ছয়. সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আ-ল্লাহর কাছে মেশকের চেয়েও উত্তম

সাত. সিয়াম ইহকাল ও পরকালের সাফল্যের মাধ্যম

আট. সিয়াম কেয়ামতের দিন সুপারিশ করবে

নয়. সিয়াম হল গুনাহ মাফের কারণ ও গুনাহের কাফফারা

পর্দার বিধান...পর্ব ১৫ ... পুরুষদের প্রতি নজর করা

0 comments
এ প্রসঙ্গে সূরা নূরের ৩১ নং আয়াত স্মরনীয়। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, অর্থ-‘হে নবী! আপনি মুমিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন দৃষ্টিকে অবনত রাখে।’অর্থাৎ পর পুরুষের দিকে না তাকায়। হযরত উম্মে সালমা রা. বলেন, আমি রাসূল সা. এর কাছে ছিলাম, হযরত মায়মুনা রা. ও ছিলেন। ইতিমধ্যে অন্ধ সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম এলেন। এটা ছিল হেজাবের হুকুম নাযিল

পর্দার বিধান...পর্ব ১৪ ...মেয়েদের সাথে মেয়েদের পর্দা

0 comments

অন্য নারীর সামনে একজন নারীর সতর নাভী থেকে হাটু পর্যন্ত । এ অংশ কোন বিশেষ ওযর ছাড়া কোন নারীর সামনেও খোলা জায়েয নয়। আর পেট, পিঠ, বুক এগুলোও প্রয়োজন ছাড়া অন্য নারীর সামনে অনাবৃত করা অনুচিত। আর ফিতনার আশংকা হলে তা আবৃত
older post