রমজান মাসে একটি রাত আছে যা হাজার মাস থেকে উত্তম

0 comments
স্বাগতম মাহে রমজান
রমজান মাসে একটি রাত আছে যা হাজার মাস থেকে উত্তম। তা হলো লাইলাতুল কদর। এ রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের সমান। আর রমজান মাসের একটি নফল ইবাদত অন্য মাসের একটি ফরজের সমতুল্য, একটি ফরজ ইবাদত অন্য মাসের ৭০টি ফরজের সমতুল্য সাওয়াব দান করা হবে। তাই আমাদের এই বরকতময় ও কল্যাণময় মাসকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা জানি সেনাবাহিনীতে কেউ যোগ দিলে প্রথমে তাকে ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ নিতে হয়। আর রমজানের রোজাও মুসলমানদের জন্য ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ স্বরূপ। এ মাসের রোজা রাখার জন্য আমাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেহরী ও ইফতার করতে হয়।

সিয়ামের হিকমত ও তার লক্ষ্য এবং উপকারিতা

0 comments
(১) তাকওয়া বা আল্লাহ-ভীতি

(২) শয়তান ও কু-প্রবৃত্তির ক্ষমতা দুর্বল করা

(৩) সিয়াম আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ ও তার দাসত্ব প্রতিষ্ঠার প্রশিক্ষণ

(৪) ঈমানকে দৃঢ় করা, মোরাকাবা ও আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করা

রমজান মাসে যে সকল নেক আমল করা যায়

0 comments

(১) কিয়ামুল লাইল
(২) আল-কুরআন খতম ও তিলাওয়াত
(৩) সদকা বা দান
(৪) এতেকাফ
(৫) ওমরাহ আদায়

সিয়ামের ফযীলত

0 comments

এক. সিয়াম শুধু আল্লাহর জন্য

দুই. সিয়াম আদায়কারী বিনা হিসাবে প্রতিদান লাভ করে থাকেন

তিন. সিয়াম ঢাল ও কুপ্রবৃত্তি থেকে সুরক্ষা

চার. সিয়াম জাহান্নাম থেকে বাঁচার ঢাল

পাঁচ. সিয়াম হল জান্নাত লাভের পথ

ছয়. সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আ-ল্লাহর কাছে মেশকের চেয়েও উত্তম

সাত. সিয়াম ইহকাল ও পরকালের সাফল্যের মাধ্যম

আট. সিয়াম কেয়ামতের দিন সুপারিশ করবে

নয়. সিয়াম হল গুনাহ মাফের কারণ ও গুনাহের কাফফারা

পর্দার বিধান...পর্ব ১৫ ... পুরুষদের প্রতি নজর করা

0 comments
এ প্রসঙ্গে সূরা নূরের ৩১ নং আয়াত স্মরনীয়। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, অর্থ-‘হে নবী! আপনি মুমিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন দৃষ্টিকে অবনত রাখে।’অর্থাৎ পর পুরুষের দিকে না তাকায়। হযরত উম্মে সালমা রা. বলেন, আমি রাসূল সা. এর কাছে ছিলাম, হযরত মায়মুনা রা. ও ছিলেন। ইতিমধ্যে অন্ধ সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম এলেন। এটা ছিল হেজাবের হুকুম নাযিল

পর্দার বিধান...পর্ব ১৪ ...মেয়েদের সাথে মেয়েদের পর্দা

0 comments

অন্য নারীর সামনে একজন নারীর সতর নাভী থেকে হাটু পর্যন্ত । এ অংশ কোন বিশেষ ওযর ছাড়া কোন নারীর সামনেও খোলা জায়েয নয়। আর পেট, পিঠ, বুক এগুলোও প্রয়োজন ছাড়া অন্য নারীর সামনে অনাবৃত করা অনুচিত। আর ফিতনার আশংকা হলে তা আবৃত

পর্দার বিধান...পর্ব ১৩ ... ছেলেদের পর্দার বয়স

0 comments
ছেলেদের যখন নারীদের সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন হতে আরম্ভ করে তখন থেকেই তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে। সূরা নূরের ৩১নং আয়াতে এসেছে তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে কিন্তু তাদের স্বামীর নিকট অথবা যৌন কামনামুক্ত পুরুষ ও বালক যারা নারীদের আবৃত

পর্দার বিধান...পর্ব ১২ ...পালক সন্তানের সাথে পর্দা করা

0 comments
পালক সন্তান আপন সন্তানের মতো নয়। তার সাথে পর্দা করা ফরজ। হ্যাঁ, সন্তানের দুই বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে যদি নিজের বুকের দুধ খাওয়ায় সেক্ষেত্রে সন্তানও হয়ে যায়। আর দুধ সন্তানের সাথে দেখা দেওয়া জায়েয । দুধ পান না করিয়ে থাকলে পালক সন্তানের সাথে দেখা দেয়া জায়েয হবে না। পালক সন্তান নিজের সন্তানের মতো নয় তা সূরা আহযাবের ৪ও৫নং আয়াতে সুস্পষ্ট বলা হয়েছে।

মেয়েদের পর্দার বয়স

অনেকে মনে করে ¯্রাব না

পর্দার বিধান...পর্ব ১১ ... মাহরাম পুরুষের সামনে সতরের ব্যাপারে উদাসীনতা

0 comments
আমাদের দেশে মহিলাদের অনেকে শাড়ী পরে থাকে। এতে অনেক সময় পেট ও পিঠ খোলা থাকে ঘরে মাহরাম পুরুষের সামনে একে গুনাহ মনে করা হয় না। অথচ এর দ্বারা সতর খোলার গুনাহ হয়। মহিলাদের পেট-পিঠ সতরের অন্তুর্ভুক্ত। মাহরাম পুরুষের সামনেও তা ঢেকে রাখা ফরয।

জাহেলী যুগের মতো ওড়না ব্যবহার

জাহেলী যুগে ওড়না ব্যবহারের নিয়ম ছিল,

পর্দার বিধান...পর্ব ১০ ... ধর্মের বোন ডাকা ও পর্দা না করা

0 comments
অনেকে বিভিন্ন অজুহাতে গায়রে মাহরাম মহিলাকে বোন ডাকে। সমাজে একে ‘ধর্মের বোন’ বলে অভিহিত করা হয়। ধর্মের বোনের সাথে আপন বোনের মতোই আচরণ করা হয় পর্দা করা হয় না। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মীরাসও দেওয়া হয়। গায়রে মাহরাম মহিলার সাথে এ ধরনের সম্পর্ক বৈধ নয়। ধর্মের বোন বলতে যা বোঝানো হয় শরীয়তে তা স্বীকৃত নয়। তাদের পরস্পর দেখা-সাক্ষাত নাজায়েয

মহিলাদের মসজিদে গমন

কিছু কিছু পর্দাশীন নারী মসজিদে

পর্দার বিধান...পর্ব ৯ ... মহিলাদের নাম সতর নয়

0 comments
কেউ কেউ মনে করে মহিলাদের নামের পর্দা আছে। পর পুরুষের সামনে বলা গুনাহ । এধারণা ঠিক নয়। এতে গুনাহ নেই । তবে মহিলাদরে নাম অন্যকে বিনা প্রয়োজনে না বলাই ভালো। ফিতনামুক্ত থাকার জন্য এটি সহায়ক হতে পারে।

চাচী, মামী ও ভাবীর সঙ্গে

পর্দার বিধান...পর্ব ৮... শরঈ পর্দার শর্তাবলি

0 comments
শর্তগুলো উপরে বিক্ষিপ্তভাবে এসেছে সহজকরণের লক্ষে তা সংক্ষিপ্তভাবে আবারো প্রদত্ত হল। অনেক মা-বোনই পর্দা করে কিন্তু অনেকে জানেনই না পূর্ণ পর্দা কাকে বলে? এর জন্য কি কি শর্ত রয়েছে? তাই পূর্ণ পর্দার শর্তাবলি উল্লেখ করা হল।

১.কোন প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া। এক্ষেত্রে মাথা থেকে পা পর্যন্ত পূর্ণ শরীর আবৃত করা, মুখ ও চোখের উপর নেকাব রাখা, হাত মোজা ও পা মোজা পরিধান করা।

২.বোরকার কাপড় ভালো ও শালীন হওয়া, আকর্ষণীয় কারুকাজ ও নকশা না থাকা। অর্থাৎ বোরকা আকর্ষণীয় না হওয়া। আজকাল বিভিন্ন

পর্দার বিধান...পর্ব ৭... অন্যদের সাথে কোমলতা প্রদর্শন ঠিক নয়

0 comments
গায়রে মাহরামের সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলা নিষেধ নয় । কিন্তু এক্ষেত্রেও কোমলতা বর্জন করা কোরআনের নির্দেশ। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা পর পুরুষের সাথে কোমল স্বরে কথা বলো না । ফলে সে ব্যক্তি কুবাসনা করবে যার অন্তরে

পর্দার বিধান...পর্ব ৬... আকর্ষণীয় ও কারুকার্যময় বোরকা পরিধান করা

0 comments
আজকাল জাঁকজমকপূর্ণ বোরকার প্রচলন বেরেছে। বিভিন্ন ডিজাইনের আকর্ষণীয় বোরকা । এধরনের জাঁকজমকপূর্ণ আকর্ষণীয় বোরকা পরা ঠিক নয় । মহিলাদরে বাইরে বের হওয়ার একটি মূলনীতি হল, বাড়তি আকর্ষণ সৃষ্টিকারী কোন কিছু ব্যবহার না করা । এজন্য সুগন্ধিসহ সকল আকর্ষণ সৃষ্টিকারী বস্তু ব্যবহার নাজায়েজ । কেউ কেউ পেন্সিল হিল ব্যবহার

পর্দার বিধান...পর্ব ৫... বাইরে সুগন্ধি ব্যবহার করা নাজায়েয

0 comments
অনেক মহিলা বাইরে বের হওয়ার সময় পর্দা করে বের হয় বটে, কিন্তু পারফিউম বা অন্য সুগন্ধি ব্যবহার করে । মহিলাদের বাইরে বের হওয়ার সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা নাজায়েয। এতে পর্দা লঙ্ঘন হয় । শরঈ পর্দা আদায় হয় না । হাদীস শরীফে ওই সব মহিলার উপর অভিসম্পাদ করা হয়েছে যারা সুগন্ধি মেখে বের হয় ।

এক হাদীসে এসেছে, অর্থ: যে নারী সুগন্ধি ব্যবহার করে বাইরে বের হল, অতঃপর লোকদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করল যে, তারা যেন সুঘ্রাণ

পর্দার বিধান...পর্ব 8... নিয়মিত বাইরের ব্যস্ততা সমীচীন নয়

0 comments
অনেক মহিলারা ঘরের বাইরের ব্যস্থতা নিয়মিত রাখে । যেমন চাকরি, স্কুল-কলেজে পড়া লেখা ইত্যাদি। নিয়মিত বাইরের ব্যস্ততা রাখা ঠিক নয়। বিশেষত একাকী যাতায়াত করা আরো খারাপ। আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘তোমরা নিজ নিজ ঘরে অবস্থান কর ।’

এই আয়তের ব্যাখ্যায় মুফাসসিরগণ বলেন, অতি প্রয়োজন ছাড়া মহিলাদের বের হওয়া ঠিক নয় । আর নিয়মিত বাইরের ব্যস্ততায় ফিতনার আশংকা রয়েছে। এজন্য মসজিদের জামাতে অংশগ্রহণ করতেও নিষেধ করা হয়েছে। তাই পড়া-শুনা বা প্রয়োজনীয় কোন

পর্দার বিধান...পর্ব 3... চোখ ঢাকাও পূর্ণ পর্দার অংশ

0 comments
অনেকে অর্ধমুখ খোলা রাখেন । ভ্রƒর উপর থেকে নাকের অর্ধেক পর্যন্ত খোলা রাখেন । এটাও ঠিক নয় । হযরত আয়েশা রা. ও ফাতিমা বিনতে মুনযির রা. এর উপরোক্ত বর্ণনায় পূর্ণ চেহারা ঢাকার কথা আছে। এছাড়া সূরা আহযাবের ৫৯ নং আয়াতের তাফসীরে হযরত ইবনে আব্বাস রা. এবং উবাদা আসলামী রা. যা বলেছেন, তা আরো স্পষ্ট যে, তিনি বাম চোখও ঢেকে নিয়েছেন। শুধু ডান চোখটি দেখার স্বার্থে বের করে রেখেছেন । আর মাথার উপর থেকে নেকাব এমনভাবে ঝুলিয়েছেন যে, চোখও ভ্রু ঢেকে আছে। আজকাল নেকাবের জন্য পাতলা কাপড় পাওয়া যায় । যা ব্যবহারে